সাতক্ষীরা বাঁকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রহিম ও তার পরিবারকে মারপিট, দোকান ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ

0
79

হাবিবুর ঃঃ সাতক্ষীরা বাঁকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অসহায় রহিম ও তার পরুবারের সদস্যদের মারপিট করার পর তাদের দোকান ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে।

গত বুধবার ২৩/১০/২০১৯ ইং তারিখে সকালে। সাতক্ষীরা পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের বাঁকাল গ্রামের পাটনী পাড়ার বাসিন্দা মোঃ আব্দুর রহিম

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আব্দুর রহিমের মেজো ছেলে মোঃ সাইদুল ইমলাম ও তার ছোট মেয়ে নাজমা খাতুন

আহত সবাই সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ভূক্তভোগী আব্দুর রহিম সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় বাঁকাল গ্রামের পাটনী পাড়ার বাসিন্দা মোঃ আব্দুর রহিমের দুই ছেলে মোঃ শাহজাহান আলী,ও মোঃ রবিউল ইসলাম বাঁকাল পাটনী পাড়া সরকারী রাস্তার ধারে বাড়ির সামনে কিছু সরকারী জমি আছে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে দোকান ঘরের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। উক্ত জমিতে তাদের লাগানো মূল্যবান গাছগাছালি আছে। রহিম এ প্রতিবেদককে আরও জানান গত ২২/১০/২০১৯ তারিখ বেলা আনমানিক ২ টার সময় আমার আপন ভাই আবু সালেক আমার লাগানো একটি সোজনে গাছ ও একটি খেজুর গাছ কাটিতে থাকিলে আমি বাঁধা দিতে গেলে। সে আমাকে কিল ঘুষি লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্হানে ফোলা জখম করে। আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজসহ খুন জখমের হুমকি দেয়।তখন আমার ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলাম ও মোঃ রবিউল ইসলাম,ও আমার পোতা আক্তারুল ইসলাম ঠেকাতে আসলে তাদেরকেও মারধর করে এবং তারা আমার দুই ছেলের দোকানঘর ভাংচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। এতও ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা,

এই ঘটনার সুত্রপাত ধরে,পরের দিন বুধবার সকালে ৮ টার দিকে আমার মেজো ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলাম, বাইপাস সড়কে মোঃ শহিদুল ইসলামের ঘেরে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরে বাড়ি ফেরার পথে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে তাকে পথরোধ করে আরিফ ও সালেকের ছেলে রাশিদুল তাকে পূনরায় বেধড়ক মারধর করে। সে কোন রকম তাদের কাছ থেকে পালিয়ে প্রাণে বেচে যায়, সেখান থেকে ফিরে এসে,সালেক, আরিফ,রাশিদুল, লতিবার,জাকির,োো সম্পূর্ন অবৈধভাবে আমার ছোট ছেলে
কবিরুল ইসলামের দোকান ঘর ভাংচুরও দোকানে মালামাল লুট করতে থাকে। এতে আমার ছোট মেয়ে নাজমা খাতুন বাঁধা দিতে গেলে তারা তাকেও
লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। ও তার গায়ে থাকা স্বর্নালংকার ছিনিয়ে নেয়।

ঘটনার পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে সালেক ও তার লোকজন পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।