তালা থানা পুলিশের সহযোগীতায় ১১দিনের মৃত্যুর পথযাত্রী শিশু আশংখা মুক্ত

0
218

তালা প্রতিনিধি ঃ তালা থানা পুলিশের সহযোগীতায় ১১দিনের মৃত্যুর পথযাত্রী শিশু আশংখা মুক্ত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেবাই পুলিশের ধর্ম। যার জলন্ত উদাহরন তালা থানার ওসি তদন্ত সেকেন্দার আলী ও এসআই প্রিতিশ রায়।
ঘটনার বিবরনে যানাযায়, গত শনিবার মধ্য রাতে তালা থানার ওসি তদন্ত সেকেন্দার আলী ও এসআই প্রিতিশ রায়সহ পুলিশের একটি টহল দল উপজেলার জাতপুর ঋষিপাড়ার কাছাকাছি পৌছালে নিষ্পাপ শিশুটির মায়ের কান্নার শব্দ শুনে এগিয়ে যান তালা থানার ওসি তদন্ত সেকেন্দার আলী ও এসআই প্রিতিশ রায় । জানতে পারেন শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নিঃস্বাস বন্ধ হয়ে আছে। যানবাহনের অভাবে চিকিৎসকের কাছে নিতে পারছেন না তার পরিবার। তদমূর্হুতে ঐ টহলদল গাড়ীতে করে শিশুটি তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ঐ রাতেই এম্বুলেন্সে করে শিশুটিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার সু- চিকিৎসার ব্যবস্থা করে থানায় ফিরেন এস আই প্রিতিশ। মধ্য রাতে বিপদগ্রস্থ ঐ শিশুর পরিবারের পাশে দাড়ানোর কারনে শিশুটি এখনো বেঁচে আছেন বলে দাবি করেছেন শিশুটির পরিবার। আবেগে তারা বলেন এমন দারোগা ওসি জীবনে দেখিনি। ঈশ^র মনে হয় দেবদূত হিসাবে উনাদেরকেই পাঠিয়ে ছিলেন।
শিশুটির বাবা অন্তজ জনগোষ্ঠির দরীদ্র মানুষ, চিকিৎসা করানোর মতো আর্থিক সংঘতি নেই। তাই নিদারুন কষ্ট ভোগ করে দিনে দিনে মৃত্যুর পথযাত্রী এই শিশুটি। শিশুটির বাবা সাতক্ষীরার সদরের কচুয়া গ্রামের অন্তোজ জনগোষ্ঠির হতদরিদ্র নরসুন্দর শংকার সরকার।বর্তমানে অসুস্থ শিশুটি তার মায়ের সাথে তালার জাতপুর ঋষিপড়ায় দাদু চিত্তরঞ্জন সরকারে বাড়ীতে অবস্থান করছে। নরসুন্দর হতদরিদ্র বাবার পক্ষে শিশুটির চিকিৎসার ব্যায় বহনের সংগতি নেই। তাই তিনি সবার কাছে সাধ্যমত সহযোগিতা করার আকুল আবেদন জানিয়েছেন।সরাসরি অথবা বিকাশের মাধ্যমে সহযোগিতার জন্য নিচের পারসোনাল বিকাশ নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হলে-০১৭৬১৮৩০০৩৬।
তালা থানার ওসি মেহেদি রাসেল ঘনাটার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি আমার ওসি তদন্ত সেকেন্দার আলী ও এসআই প্রিতিশ রায় অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য কাজ করেছে এবং মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছে।