খেশরায় পাকুড়িয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

0
241

খেশরা প্রতিনিধি : তালা উপজেলা খেশরা ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রাম সংলগ্ন পাকুড়িয়া নদীতে কোন প্রকার ইজারা ছাড়াই চলছে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন। এই বালু দিয়ে আবার রাস্তা পাকাকরণের জন্য মাটির উপরে বালু দেওয়ার কাজ চলছে। হরিহরনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে একই গ্রামের মোড়লপাড়া আশেক মোড়লের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা পাকাকরণের ঠিকাদারী পায় তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের জনৈক আনোয়ার মাষ্টার। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ কাজে মাটির উপরে প্রাথমিক ভাবে বালু দেওয়ার নিয়ম থাকায় তিনি সেটা স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজসে পাকুড়িয়া নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলন করে, মোবারক মাষ্টারের বাড়ি হতে আশেক মোড়লের বাড়ি পর্যন্ত ভরাট করেছেন। ভরাটের স্থান থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরের পাকুড়িয়া নদী থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করছেন। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আনোয়ার মাষ্টারকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, খেশরা ইউ,পি চেয়ারম্যান রাজিব হোসেন (রাজু) এবং ঐ ওয়ার্ডের ইউ,পি মেম্বর শামসুল হক মোড়ল উক্ত রাস্তায় বালু ভরাটের ঠিকাদারী নিয়েছেন। উক্ত ওয়ার্ডের মেম্বর শামসুল হকের সাথে কথা বললে জানান যে, নদীতে চরা পড়ে যাওয়ায় ঠিকাদারকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৈধতার প্রশ্ন তুললে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, আমাদের নিজেদের এলাকার কাজ তাই এখানে বৈধ-অবৈধের প্রশ্নই ওঠেনা। খেশরা ইউ,পি চেয়ারম্যান রাজিব হোসেন (রাজু) সাথে কথা বললে জানান যে, হরিহরনগর ফুটবল মাঠটি ভরাটের জন্য উক্ত ঠিকাদারকে বললে মাঠ ভরাটের কাজটি তিনি করে দিবেন বলে আমাকে আশ্বস্ত করেন। তবে আমার নিষেধ স্বত্তেও উনি নিজেই এই ভাবে বালি উত্তোলন করছেন। এলাকাবাসী হিসাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর গোলদার বলেন- পাকুড়িয়া নদীটিতে এলাকার সবার স্বার্থ থাকার কথা থাকলেও মেম্বর শামসুল হক মোড়ল একক ভাবে তিনি ও তার ভাইয়েরা জবরদখল করে খাচ্ছেন। তিনি বলেন এভাবে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে অচিরেই হয়তো পাকুড়িয়া নদী সংলগ্ন ফসলী জমি ও বাড়িঘর ব্যাপক ভূমিধ্বসের কবলে পড়বে। যদিও শামসুল হকের নামে পাকুড়িয়া নদী ইজারা নেওয়া।