কলারোয়া আওয়ামীলীগ নেতা চেয়ারম্যান কর্তৃক মসজিদের জায়াগা দখল করে দোকন ঘর নির্মান

0
184

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারি চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান কতৃক মসজিদের সম্পত্তি দখল করে দোকান ঘর নির্মান ও এলজিএসপি প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করে মসজিদের নিচে ছাউনি নির্মানের অভিযোগ উঠেছে।। গয়ড়া গ্রামের মৃত ইছাহক আলী মোড়লের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাজাহান আলী এ অভিযোগ এনে বলেন, কলারোয়া উপজেলার চন্দরপুর ইউপির চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম একজন আওয়ামীলীগে অনুপ্রবেশকারি। তার পিতার আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় সে নানার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। ছোটবেলা থেকে সুচতুর মনিরুল আস্তে আস্তে অপরাধ জগতে পা বাড়িয়ে আজ সে অঢেল সম্পত্তির মালিক। এক সময় সে চোরাচালানী ও চোরাঘাট পরিচালনা করতো। কালো টাকার প্রভাবে সে চন্দনপুর ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। গয়ড়া বাজারে জামে মসজিদের জায়গা দখল করে সেখানে করেছে দোকান নির্মান। এছাড়া এলজিএসপির প্রকল্পের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন। পরবর্তীতে গয়ড়া বাজার জামে মসজিদের ছাদের তলা ব্যাবহার করে সেখানে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে।
এবং গয়ড়া বাজারের বাথরুমের পাশে ঘর নির্মাণ এবং মসজিদের জমি দখল করে ঘর নির্মাণ। এছাড়া হিজলদী বাজারে বিশাল দুটি মার্কেট বাজারের জমিতে নির্মাণ করে বিক্রিয় পায়তারা চালাচ্ছে।
অথচ প্রকল্পের স্কীমে যাত্রী ছাউনিটি গয়ড়া বাজারে আকবরের চায়ের দোকানের পাশে নির্মানের কথা ছিল। কিন্তু করা হয়েছে মসজিদের গায়ে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দাখিল করলে তিনি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে তদন্তপূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহনের নির্দেন দেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কলারোয়া উপজেলার এসিল্যান্ডকে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। কিন্তু এসিল্যান্ড কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই দূর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানেকে সহযোগিতা করে ঘর নির্মানের অনুমতি দেন। যাবতীয় কাগজপত্র মসজিদের নামে থাকলেও এসিল্যান্ডের এমন ভুমিকা এলাকার মসল্লিরা হতবাক হয়েছেন। তিনি পুনরায় তদন্ত করে দুনির্তীবাজ চেয়ারম্যানের ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবীতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।এফ হোসেন / এভিএএসনিউজ